whatsapp-1

হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কলের সময় নতুন যে সুবিধা মিলবে

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। মেটা মালিকানাধীন এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে প্রায়ই নতুন ফিচার নিয়ে আসে।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন ফিচার হিসেবে পিকচার-ইন-পিকচার বা পিআইপি মোড নিয়ে এসেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এটি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ভিডিও কলের সময় মাল্টি-টাস্কিং সুবিধা দেবে। অর্থাৎ হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল চলাকালীন অন্যান্য অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

হোয়াটসঅ্যাপের ফিচার ট্র্যাকার ওয়েবেটাইনফো সর্বপ্রথম এই ফিচারটির খবর প্রকাশ্যে এনেছে। এই ওয়েবসাইটটি হোয়াটসঅ্যাপের নতুন পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করে থাকে।

ওয়েবেটাইনফো জানিয়েছে, নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ভিডিও কল চলাকালীন অন্য কাজেও নিজেদের ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। নতুন পিআইপি মোডের সৌজন্যে ব্যবহারকারীরা ভিডিও কল চলাকালীন একটি ছোটো উইন্ডোতে হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও দেখার পাশাপাশি অন্যান্য অ্যাপও ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা ভিডিও কল করার সময়ও মাল্টি-টাস্কিং করার সুবিধা পাবেন।

নতুন এই ফিচারটি ব্যবহার করতে চাইলে আইওএস ইউজারদেরকে অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে গিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের ২৩.৩.৭৭ ভার্সনটি ইনস্টল করতে হবে।

আইওএসের পাশাপাশি সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যও নতুন একটি ফিচার রোলআউট করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। উল্লেখ্য, এতোদিন পর্যন্ত এই অ্যাপের মাধ্যমে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০টি মিডিয়া ফাইল শেয়ার করতে পারতেন ব্যবহারকারীরা। তবে এবার ৩০ থেকে বাড়িয়ে সংখ্যাটিকে ১০০ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। অর্থাৎ একসঙ্গে ১০০টি ফটো বা ভিডিও শেয়ার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। ইতিমধ্যে বিটা টেস্টারদের জন্য ফিচারটি রোল আউট করেছে হোয়াটসঅ্যাপ।

হোয়াটসঅ্যাপ কি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম WhatsApp Messenger

হোয়াটসঅ্যাপ কি? হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম! || হোয়াটসঅ্যাপ – WhatsApp Messenger

একটা সময় মানুষ যোগাযোগের জন্য চিঠির উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে, যে কোন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম। কারণ, অল্প সময়ের ব্যবধানে যোগাযোগ করতে রয়েছে অনেক ডিভাইস এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
তাদের ভিতর উল্লেখযোগ্য: ফেইসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম,ভাইবার এবং হোয়াটসঅ্যাপ সহ আরো অনেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
আজ আপনারা এই পোষ্টের মাধ্যমে দেখতে চলেছেন, হোয়াটসঅ্যাপ এর ছোট্ট একটি রিভিউ। আশা করছি, এই ওয়েবসাইটের বিগত দিনের পোস্টগুলোও দেখবেন।
তাহলে চলুন শুরু করি!
হোয়াটসঅ্যাপ কি?
এটি একটি বহুল জনপ্রিয় সোশাল নেটওয়ার্ক মাধ্যম। বর্তমানে ১৮০ টি দেশের প্রায় ২ বিলিয়ন লোক, পরিবার এবং বন্ধু বান্ধবদের সাথে সব সময় কানেক্টেড থাকতে, ব্যবহার করছেন “হোয়াটসঅ্যাপ
হোয়াটসঅ্যাপের প্রথম যাত্রা শুরু হয়, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ অর্থাৎ আজ থেকে ১২ বছর আগে। প্রথমদিকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শুধুমাত্র মেসেজ করার সুযোগ থাকলেও, বর্তমানে রয়েছে ভিডিও, ভয়েস কল, লোকেশন এবং ডকুমেন্টস পাঠানো সহ আরো বেশ কিছু চমকপ্রদক ফিচার।
যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলবেন:
• প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপস টি, প্লে স্টোর অথবা অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন এবং ওপেন করুন।
• এরপর Agree & Continue বাটনে ক্লিক করুন এবং ফোন নাম্বার দিয়ে “Done” বাটনে ক্লিক করুন।
• এরপর ফোনে আসা ৬ ডিজিট ভেরিফিকেশন কোড দিন এবং “Done” বাটনে ক্লিক করুন।
• এরপর ফার্স্ট নেম এবং লাস্ট নেম দিয়ে “Create Account” এ ক্লিক করুন। এছাড়াও আপনারা চাইলে, ফেসবুকের তথ্য দিয়েও একাউন্ট খুলতে পারবেন।
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খোলার পর, অবশ্যই সিকিউরিটির জন্য টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করুন। ]
 
হোয়াটসঅ্যাপ এর বৈশিষ্ট্য বা সুবিধা:
• আপনার ব্যক্তিগত কিংবা বন্ধু-বান্ধবদের মেসেজ হিস্টরি এনক্রিপটেড অবস্থায় থাকে। যার ফলে আপনি ছাড়া অন্য কেউ দেখতে পারে না, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত।
• দ্রুত এবং ধীর গতির ইন্টারনেট সংযোগ দিয়েও, একসাথে ৮ জন মিলে ভিডিও এবং অডিও কলের সুবিধা।
• আপনার বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবার নিয়ে গ্রুপ খুলতে পারার সুবিধা। পাশাপাশি এনক্রিপটেড মুডে গ্রুপ ব্যবহার করা সম্ভব। এর ফলে আপনি ছাড়া কেউ, মেসেজ হিস্টরি, ছবি, ভিডিও এবং ডকুমেন্টস অন্য কেউ দেখতে পারবেনা।
• নির্দিষ্ট ছবি, ভিডিও, অডিও কিংবা ডকুমেন্টস কাঙ্খিত ব্যক্তির সাথে কনভারসেশন চলাকালীন, শুধুমাত্র একবার দেখানোর সুবিধা। (এটা এক প্রকারের প্রাইভেট চ্যাটিং বলতে পারেন। )
• গ্রুপ কলে কনভার্সেশন চলাকালীন যেকোনো মুহূর্তে বের হওয়ার সুবিধা। পাশাপাশি আপনি চাইলে আবার রি-জয়েনও করতে পারবেন। এছাড়াও এই অ্যাপে রয়েছে ছোট-বড় আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। যা জীবনযাত্রাকে আরো সহজ করে তোলে।
• পরিবার কিংবা বন্ধুদের মাঝে লোকেশন শেয়ার করার সুবিধা। পাশাপাশি যেকোনো মুহূর্তে লোকেশন বন্ধ ও করার সুযোগ রয়েছে।
• ফেসবুকের মত স্টরি কিংবা মাই ডে আপলোড করার সুবিধা এবং এটি ২৪ ঘন্টা পর অটোমেটিকলি বন্ধ হয়ে যায়।
 
হোয়াটসঅ্যাপ এর খারাপ দিক:
• একই সময়ে একসঙ্গে একাধিক ডিভাইসে একাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন না।
• অ্যাপ এর তুলনায় ওয়েবসাইট খানিকটা স্লো।
• আপনার পাঠানো মেসেজ পুনরায় রি-এডিট করতে পারবেন না।
• আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেকোনো মুহূর্তে ফাঁস হতে পারে। ( টেকনোলজিস্টদের মতে ) তবে বিগত দিনেও বেশ কয়েকবার, হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের নামে তথ্য ফাঁস করার গুঞ্জন ইতিমধ্যে শোনা গেছে।
• মাঝেমধ্যে বিভিন্ন ফিচারে ল্যাগিং সমস্যা। (ইউজারদের মতামত অনুযায়ী)
• একাউন্ট এনক্রিপটেড থাকা সত্ত্বেও, হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ আপনার/ আমার কিংবা আমাদের সম্বন্ধে যথেষ্ট তথ্য জানার ক্ষমতা রাখে। (বিভিন্ন টেকনোলজি রিলেটেড নিউজ পোর্টাল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী।)
 
হোয়াটসঅ্যাপ এর নিয়ম নীতিমালা:
অবিশ্বাসযোগ্য হলেও এটা সত্যি যে, আমাদের ভিতর অনেক মানুষ রয়েছেন। যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে, কিন্তু নির্দিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর নিয়ম-নীতিমালা সম্বন্ধে, কোন প্রকার ধারণা রাখে না। যার ফলে অনেকেই বিপদের সম্মুখীন হন।
হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ বিগত দিনের থেকে বর্তমানে বেশ কঠোর অবস্থানে গিয়েছে। কারণ, দিন সামনের দিকে যত গড়িয়ে যাচ্ছে, অপরাধীর সংখ্যা কিংবা হার ততো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের মাঝে বেশ কিছু নিয়ম-নীতি মেলা জুড়ে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।
উদাহরণস্বরূপ যেমন: হুমকি, হয়রানি, অশ্লীলতা, অবৈধ, অপরাধ প্রচার, ছদ্মবেশ এবং বাল্ক মেসেজিং সহ আরো অনেক কিছু।
উপরোক্ত অপরাধ গুলোর মধ্য থেকে, যেকোনো একটির সাথে আপনার যদি সম্পৃক্ততা থাকে। তাহলে যে কোন মুহূর্তে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক কিংবা পুলিশের শরণাপন্ন হলেও হতে পারে। ]
ডিজাইন:
হোয়াটসঅ্যাপের ডিজাইনের কথা বলতে গেলে এক কথায় “অসাধারণ” হোয়াটসঅ্যাপ যারা দীর্ঘদিন ব্যবহার করে আসছেন, তারা হয়তো জানেন হোয়াটসঅ্যাপ এর ডিজাইন কতটা অ্যাট্রাক্টিভ। তাই ডিজাইন সম্পর্কে বেশি কিছু বললাম না।
হোয়াটসঅ্যাপ এর রেটিং এবং রিভিউ:
বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপের প্লে স্টোর রেটিং রয়েছে 4.1/5 এবং রিভিউ রয়েছে প্রায় ১৪২ মিলিয়নেরও বেশি। এর পাশাপাশি অ্যাপ স্টোরে রেটিং রয়েছে 4.7/5 এবং রিভিউ রয়েছে প্রায় ৮ মিলিয়নেরও বেশি।
হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোড:
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপস টি আপনারা ডাউনলোড করতে পারবেন প্লে স্টোর অথবা অ্যাপ স্টোর থেকে। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে উইন্ডোজ এবং ওয়েব ব্রাউজারে।
শেষ কথা:
পরিবার, বন্ধু-বান্ধব কিংবা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে বেশ আলোচিত। হোয়াটসঅ্যাপ এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে, সেই সাথে নিয়ম নীতিমালাও। তাই ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনাদের রিকমেন্ড করব, হোয়াটসঅ্যাপে কোন ধরনের অনৈতিক কাজের সাথে সম্পৃক্ততা না রাখার।
কারণ, আপনার একটি অনৈতিক কাজের ফলে, ঘটে যেতে পারে অনেক কিছু।
হোয়াটসঅ্যাপ

যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস কল রেকর্ড করবেন || হোয়াটসঅ্যাপ ভয়েস কল রেকর্ড

হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে বিশ্বে সর্বাধিক ব্যবহৃত ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ। জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপটির সাহায্যে ভয়েস ও ভিডিও কলিংও করা যায়।

কিন্তু অ্যাপটিতে কল রেকর্ড করার কোনো বিল্ট-ইন ফিচার নেই। হোয়াটসঅ্যাপ কল এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড। এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণেই অনেকে কলিংয়ের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের উপর ভরসা রাখেন।

এদিকে অনেক সময় কথোপকথন রেকর্ড করা জরুরি হয়ে পড়ে। কল রেকর্ড করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে বিল্ট-ইন কোনো ফিচার না থাকলেও একাধিক থার্ড পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে আপনি হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করতে পারবেন। তবে কল রেকর্ড করার আগে ফোনের অপর প্রান্তে ব্যক্তির অনুমতি নিন। অনুমতি ব্যতীত কারো কল রেকর্ড করবেন না।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে যেভাবে রেকর্ড করবেন হোয়াটসঅ্যাপ কল

হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ডিংয়ের জন্য থার্ড পার্টি অ্যাপ হিসেবে ‘কল রেকর্ডার: কিউব এসিআর’ নামক অ্যাপটি বেশ জনপ্রিয়। অ্যাপটি ব্যবহারের সুবিধা হলো, এটি সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করে ডিভাইসের ইন্টারনাল মেমোরিতে তা সেভ করে রাখে। প্রথমে গুগল প্লে স্টোর অ্যাপটি ইনস্টল করে নিন। এরপর ‘কিউব এসিআর’ অ্যাপ ওপেন করে হোয়াটসঅ্যাপে Newসুইচ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ কল ডায়াল বা রিসিভ করার সময় কিউব কল উইজেট দেখা গেলে বুঝবেন কল রেকর্ড হচ্ছে। যদি উইজেটটি দেখতে না পান, তাহলে পুনরায় কিউব এসিআর অ্যাপটি খুলুন এবং সেটিংসে গিয়ে ভয়েস কলের জন্য ‘ফোর্স ভিওআইপি কল’ অপশনটি বেছে নিন। তবে এবারও উইজেটটি না দেখালে বুঝতে হবে আপনার ফোনে এটি কাজ করবে না।

 

আইফোনে যেভাবে রেকর্ড করবেন হোয়াটসঅ্যাপ কল

আপনার ম্যাক ডিভাইস থেকে ‘কুইক টাইম’ অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন। এরপর আপনার আইফোনটি কানেক্ট করুন ম্যাক ডিভাইসের সঙ্গে এবং কুইক টাইম খুলুন। এবার ‘ফাইল’ অপশনে চলে যান। ‘নিউ অডিও রেকর্ডিং’ অপশনে ক্লিক করে ‘আইফোন’ সিলেক্ট করুন; এরপর ‘রেকর্ড’ বাটনে ক্লিক করুন। এবার আপনার আইফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কল করার জন্য ‘অ্যাড ইউজার’ আইকনে ক্লিক করুন। ভয়েস কল করলে তা অটোমেটিক্যালি রেকর্ড হয়ে যাবে। রেকর্ডিং ফাইলটি ম্যাক ডিভাইসে সেভ হবে।

realme-2301261317

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ফাস্ট চার্জার

বিগত কয়েক বছরে ফোনের চার্জিং প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। আগে স্মার্টফোন চার্জ করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে গেলেও এখন ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির আশীর্বাদে স্মার্টফোন খুব দ্রুতই সম্পূর্ণ চার্জ করা যায়।

ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তিকে আরো উচ্চ মাত্রায় নিয়ে যেতে এবার আসছে ২৪০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। এটিই হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি। এর উদ্ভাবক চীনা ব্র্যান্ড রিয়েলমি।

এর আগে আরেক চীনা ব্র্যান্ড শাওমির কল্যাণে স্মার্টফোন বিশ্ব সর্বশেষ ২১০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছিল। রিয়েলমি আরো একধাপ এগিয়ে এবার উদ্ভাবন করলো ২৪০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০২৩ সালে রিয়েলমির যে ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলো উন্মোচিত হবে সে সব ডিভাইসগুলোতে ২৪০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি থাকবে। এ ডিভাইসগুলো ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট দিয়ে খুব সহজেই চার্জ দেয়া যাবে; যা খুব অল্প সময়ের মধ্যে শতভাগ চার্জের বিষয়টিকে নিশ্চিত করবে। ২৪০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং দিয়ে ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর পাওয়ার কনভারশেন রেট হবে ৯৮.৭ শতাংশ।

এছাড়া ২৪০ ওয়াটের উন্নত চার্জিং প্রযুক্তি ৮৫ ডিগ্রি উচ্চতাপমাত্রা সহ ৮৫ শতাংশ আর্দ্রতায় ফোন চার্জের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত পারফরমেন্স প্রদান করবে।

শাওমির ২১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি দিয়ে ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারির স্মার্টফোন শূন্য থেকে ফুল চার্জ হতে ৮ মিনিটেরও কম সময় লাগে। রিয়েলমির ২৪০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার দিয়ে স্মার্টফোন ফুল চার্জ হতে কত সময় লাগবে, তা এখনো খোলাসা করেনি প্রতিষ্ঠানটি।

image-295993

সাড়া ফেলেছে ইনফিনিক্সের নতুন ফোন

গ্লোবাল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স গত ১২ জানুয়ারি দেশের বাজারে এনেছে স্পিড মাস্টার খ্যাত নতুন ফোন ‘নোট ১২ প্রো’। নতুন এই মোবাইল হ্যান্ডসেটটি বেশ সাড়া ফেলেছে ইতোমধ্যে।

টেক রিভিউয়ার আর ইউটিউবাররাও ইনফিনিক্সের নতুন ফোনটি নিয়ে সার্বিকভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ইতিবাচক অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন ব্যবহারকারীরাও। বেশ হালকা এই ফোনটিতে আছে শক্তিশালী প্রসেসর, বড় ও সুন্দর ডিসপ্লে, বিশাল ব্যাটারি এবং দারুণ ক্যামেরা। প্রিমিয়াম এই ফোনটি মিলবে মাত্র ২৬,৪৯৯ টাকায়।

টেক রিভিউয়ার চ্যানেল ‘টিটিপি’ জানিয়েছে, পারফরম্যান্সে সেরা এই ফোন। হেভি-ইউজার বা গেমারদের সব চাহিদা খুব সহজেই পূরণ করবে নোট ১২ প্রো। তাদের মতে, এই ফোনটি ‘পাওয়ার মনস্টার’। অন্যদিকে, ফোনটির ক্যামেরা নিয়ে কথা বলেছে টেক রিভিউয়ার চ্যানেল ‘প্রযুক্তি’। তারা বলেছে, ফোনটির ক্যামেরায় অসাধারণ সব ছবি তোলা যাচ্ছে। ছবির কালার ব্যালেন্স এবং ডিটেইলেরও প্রশংসা করেছে চ্যানেলটি।

স্মার্টফোনের কথা ওঠলে সাধারণত হেভি ইউজার ও গেমারদের প্রথম প্রশ্ন হয়ে থাকে প্রসেসরের গতি আর জিপিইউ নিয়ে। নোট ১২ প্রো হেভি ইউজার আর গেমারদের ভালোভাবেই সন্তষ্ট করতে পারবে বলে একাধিক রিভিউয়ে উঠে এসেছে। ফোনটির হেলিও জি-৯৯ প্রসেসরের গতি ২.২ গিগাহার্জ আর জিপিইউ আর্ম মেইল জি৫৭ ক্লাসের। তাই গেমিং বা ভিডিও এডিটিংয়ে গ্রাফিক্স নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হবে না। তাছাড়া, ১২ ন্যানোমিটারের জি-৯৬ প্রসেসর থেকে ৬ ন্যানোমিটারের জি-৯৯ প্রসেসর প্রায় ১০ শতাংশ কম ব্যাটারি খরচ করে।

নোট ১২ প্রো-এর শক্তিশালী ১০৮ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরা এবং ১৬ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরায় উজ্জ্বল, পরিষ্কার আর সুন্দর ছবি তোলা যায়, সঙ্গে রয়েছে ১০ গুণ জুম করার সুবিধা। ফোনটিতে প্রফেশনাল নাইট সিন ফটোগ্রাফি মোড থাকায় রাতের বেলাতেও ছবি ওঠানো যায় কোনো অসুবিধা ছাড়াই।

মাল্টি টাস্কিংয়ে স্বস্তি আনতে নোট ১২ প্রো-তে আছে অনন্য ব্যবস্থা। ২৫৬ জিবি রম বাড়ানো যায় ২ টিবি পর্যন্ত। আর মেমোরি ফিউশনের মাধ্যমে ৮ জিবি র‌্যাম বাড়ানো যায় ১৩ জিবি পর্যন্ত। ফলে ফোন স্বচ্ছন্দে ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যাটারিও খরচ কম হয়। তাছাড়া, মেমোরি ফিউশন প্রযুক্তি থাকার কারণে, কোনো অ্যাপ ওপেন হওয়ার সময় নেমে আসে ৮০২ মাইক্রো সেকেন্ড থেকে ৩০৭ মাইক্রো সেকেন্ডে। পাশাপাশি, ব্যাকগ্রাউন্ডে একসঙ্গে ২০টি অ্যাপ চলবে কোনো সমস্যা ছাড়াই।

ফোনটির ৬.৭ ইঞ্চি অ্যামোলেড ফুল এইচডি+ ডিসপ্লেতে রিফ্রেশ রেট আছে ৬০ হার্জ পর্যন্ত। ৩৯৩ পিপিআই ডেনসিটির এই ডিসপ্লের স্ক্রিন টু বডি রেশিও ৯২ শতাংশ।

৭.৮ মিলি মিটারের আল্ট্রা স্লিম এই ফোনটিতে আছে বিশাল ৫০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি। সঙ্গে আছে সুপার ফাস্ট ৩৩ ওয়াটের সুপারচার্জ সক্ষমতা। ফোনটিতে টাইপ-সি চার্জার দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তার জন্য এই ফোনে আছে সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট। হাই কোয়ালিটির সাউন্ড দিতে ব্যবহার করা হয়েছে দুটো ডিটিএস স্পিকার। নোট ১২ প্রো পাওয়া যাচ্ছে ভলকানিক গ্রে, টাস্ক্যানি ব্লু এবং আলপাইন হোয়াইট-এই তিনটি ভিন্ন ভিন্ন রঙে।

ইনফিনিক্সের নোট ১২ সিরিজের আরেকটি ফোনের দুটি ভার্সন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ক্যামেরা আর স্টোরেজ ক্যাপাসিটি ছাড়া নোট ১২ ২০২৩ এর বাকি সবকিছু নোট ১২ প্রো-এর মতোই। দামও আরেকটু কম। এই ফোনের ১২৮ জিবি ভার্সনের দাম ১৯,৯৯৯ টাকা; আর ২৫৬ জিবি ভার্সনের দাম পড়বে ২২,৯৯৯ টাকা।

xiaomi-pcba-2301251641

দেশেই তৈরি হচ্ছে শাওমি স্মার্টফোনের পিসিবিএ

গ্লোবাল স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠান শাওমি বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড এসেম্বলি (পিসিবিএ) উৎপাদন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারের ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে শাওমি।

কোম্পানিটি সম্প্রতি তার গাজীপুর কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজ দিয়ে সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি (এসএমটি) প্লান্ট স্থাপন করেছে এবং এটি শতভাগ বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হচ্ছে। রেডমি ১০সি হলো শাওমির উৎপাদিত প্রথম স্মার্টফোন, যা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পিসিবিএ দ্বারা তৈরি।

শাওমি, ডিবিজি টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও পিসিবিএ তৈরি করছে। ডিবিজি একটি গ্লোবাল ইএমএস কোম্পানি, তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং বিজনেস রয়েছে বিশ্বব্যাপী (চীন, ভিয়েতনাম ও ভারত প্রভৃতি)। বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য কিছু ব্র্যান্ড ও কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স পণ্য তাদের কারখানায় তৈরি হয়।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে পিসিবিএ উৎপাদনের মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে দীর্ঘস্থায়ী কাজ করার প্রতিশ্রুতি শাওমি দিচ্ছে, সেই সঙ্গে দেশে আরও টেক-কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও আমরা অবদান রাখতে পারব। রেডমি ১০সি হচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি পিসিবিএ দিয়ে শাওমির উৎপাদিত প্রথম স্মার্টফোন, যেটি দেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। শিগগির দেশে উৎপাদিত সকল শাওমি স্মার্টফোনে স্থানীয়ভাবে তৈরি পিসিবিএ ব্যবহার করে বাজারজাত করতে পারব বলে আমরা আশাবাদী। এটি বাংলাদেশের টেক-ইন্ডাস্ট্রির অগ্রযাত্রায় একটি নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

পিসিবিএ হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স এবং প্রযুক্তি পণ্যের একটি প্রধান উপকরণ যেটি বিভিন্ন চিপ এবং বৈদ্যুতিক সার্কিটের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে স্মার্টফোনের সকল ফাংশনের কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।

শাওমির স্মার্টফোন কারখানাটি এসএমটি প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রায় ২,৫০০ সারফেস মাউন্ট ডিভাইস (এসএমডি) উপকরণ প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড- এ মাউন্ট করে সম্পূর্ণরূপে কার্যকরী স্মার্টফোনের পিসিবিএ এবং সাব-পিসিবিএ তে রূপান্তর করতে পারে। এ কারখানাটিতে দৈনিক ৬,০০০ পিসিবিএ উৎপাদন করার সক্ষমতা রয়েছে। পিসিবিএ উৎপাদনের ফলে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের পরিমাণ প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

২০২১ সালের ২১ অক্টোবর বাংলাদেশে স্মার্টফোন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে দেশে উৎপাদিত শাওমি স্মার্টফোনের যাত্রা শুরু হয়। এই বিশাল উদ্যোগের অর্থায়ন করা হয় সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে।

দেশে শাওমির মোট স্মার্টফোন চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ স্থানীয় কারখানায় উৎপাদিত হচ্ছে। এখানে এন্ট্রি ও মিড রেঞ্জের সব ফোন, যেমন রেডমি ১০এ, রেডমি ১০সি এবং রেডমি নোট ১১ দেশেই উৎপাদিত হয়।

tiktok--2301261606

বাংলাদেশে টিকটকের নিরাপত্তা দূত হলেন তারা

বিশ্বের অন্যতম ভিডিও-নির্ভর জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক বাংলাদেশে #সেফারটুগেদার নামক কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো, দেশের টিকটক ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন করা।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে টিকটক তাদের #সেফারটুগেদার কর্মসূচির সেফটি অ্যাম্বাসেডর্স বা নিরাপত্তা দূতদের নাম ঘোষণার পাশাপাশি আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে টিকটকের নিরাপত্তা দূত হিসেবে কাজ করবেন বিভিন্ন মাধ্যমের ছয় তরুণ তারকা। তারা হলেন- টেন মিনিট স্কুলের উদ্যোক্তা আয়মান সাদিক, ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া, অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া, সাবেক মিস বাংলাদেশ পিয়া জান্নাতুল, জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা ইফতেখার রাফসান ও লাইফস্টাইল ইনফ্লুয়েন্সার ফাইজা।

জনপ্রিয় এই ছয় তারকাদের নিয়ে অনুষ্ঠানে একটি প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। আয়মান সাদিকের সঞ্চালনায় আলোচকরা ডিজিটাল সেফটির বিভিন্ন দিক যেমন- ভুল তথ্য, হয়রানি এবং সাইবার বুলিং, ইন্টারনেটের দায়িত্বশীল ও নিরাপদ ব্যবহার, নিরাপদ কনটেন্ট তৈরি নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি উপস্থিত ক্রিয়েটরদের দিকনিদের্শনা ও টিপস দেন কীভাবে তারা টিকটকে নীতিমালা মেনে সুন্দর সব কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে একজন নিরাপদ কনটেন্ট ক্রিয়েটর হতে পারেন।

অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আজকের বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং আমি এই সময়োপযোগী প্রচারণার ব্যবস্থা করার জন্য টিকটককে ধন্যবাদ জানাই। বিষয়বস্তু নির্মাতাদের অবশ্যই দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করে এমন ভালো বিষয়গুলো তুলে ধরতে হবে। আমাদের অবশ্যই ভাইরাল হওয়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং দেশের প্রতিভার প্রতিনিধিত্ব করে এমন বিষয়বস্তু তৈরিতে কাজ করতে হবে।’

chrome--2301301451

অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল ক্রোমের নতুন ফিচার

আপনি গুগলের ক্রোম ব্রাউজারে কিছু ব্রাউজ করছেন, এমন সময় কেউ আপনার মোবাইল ফোনটি চাইলো। এদিকে যে আপনার ফোনটি চাইছে তাকে আপনি দেখাতে চাচ্ছেন না, আপনি কি ব্রাউজ করছিলেন। আবার সেখান থেকে বের হতেও চাচ্ছিলেন না, আবার নতুন করে ব্রাউজ করতে হবে ভেবে।

এমন পরিস্থিতির সমাধান নিয়ে এসেছে ক্রোম। এখন থেকে ইনকগনিটো মোডে আপনি কিছু ব্রাউজ করলে সেই মুহূর্তে ফোন থেকে বেরিয়ে গেলে বা অন্য কোনো অ্যাপে ঢুকে গেলে ক্রোম ব্রাউজার ইনকগনিটো মোডে আপনার ব্রাউজিং ট্যাবটিকে লক করে দিবে। ফলে আপনার ফোন অন্যের হাতে থাকলেও সে চাইলেও দেখতে পারবেন না আপনি আসলে কি ব্রাউজ করছিলেন? কারণ, একবার ইনকগনিটো মোড থেকে বের হয়ে গেলে পুনরায় সেখানে আবার ঢুকতে হলে আপনাকে ফেস রিকগনিশন, ফিংগার প্রিন্ট অথবা পাসকোড দিতে হবে।

 

দারুন এই সুবিধাটি ব্যবহার করতে চাইলে প্রথমে ক্রোমের সেটিংস অপশনে যান। এরপর প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি অপশন যান। এবার ‘লক ইনকগনিটো ট্যাবস হোয়েন ইউ ক্লোজ ক্রোম’ অপশনটি চালু করে দিন।

আইফোন বা আইওএস-এ ফিচারটি আগে থেকেই ছিল, এবার অ্যান্ড্রয়েডের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তাহলে কি গুগল নিজেদের আগে অন্যের অপারেটিং সিস্টেমে নতুন ফিচার দেয়? আসলে একদমই তা নয়, এটা অ্যান্ড্রয়েডেও ছিল, তবে সেটা বাই ডিফল্ট অফ থাকে। আপনাকে শুধু সেটিংস থেকে গিয়ে এটা চালু করে দিতে হবে। এটা একটা দারুন ফিচার। চাইলে এখনই সেটিংস থেকে সক্রিয় করে দেখতে পারেন।

whatsapp-2302151120

হোয়াটসঅ্যাপে একসঙ্গে শেয়ার করা যাবে ১০০ ছবি!

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। মেটা মালিকানাধীন এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে প্রায়ই নতুন ফিচার নিয়ে আসে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন সুবিধা হিসেবে বর্তমানের তুলনায় তিন গুণের বেশি ছবি পাঠানো যাবে হোয়াটসঅ্যাপে।

প্রথমদিকে হোয়াটসঅ্যাপে একসঙ্গে ১০টি ছবি পাঠানো যেত। তারপর এই ছবি পাঠানোর পরিমাণ বেড়ে ৩০ হয়েছে। অর্থাৎ এখন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ৩০টি ছবি একসঙ্গে পাঠানো যায়। জানা গেছে, এই ছবি শেয়ার করার সংখ্যা বাড়াতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

বরাবরের মতো এবারও নতুন এই সুবিধার তথ্য ফাঁস করেছে ওয়েবেটাইনফো। এই ওয়েবসাইটটি হোয়াটসঅ্যাপের নতুন পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করে থাকে।

ওয়েবেটাইনফো’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা এবার একসঙ্গে ১০০টি ছবি পাঠানোর সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে কিছু সংখ্যক বিটা টেস্টারদের জন্য ফিচারটি রোল আউট শুরু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ।

এর পাশাপাশি আরও একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে হোয়াটসঅ্যাপ। যার আওতায় হাই কোয়ালিটির ছবি শেয়ার করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। অর্থাৎ একসঙ্গে ১০০টি ছবি পাঠানো হলেও ছবির কোয়ালিটি নষ্ট হবে না। অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস- দুই মাধ্যমেই চালু হবে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এই ফিচার।

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে আরও কয়েকটি নতুন ফিচার-

* হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা খুব শিগগির গ্রুপ চ্যাটের ক্ষেত্রে কল শিডিউলের সুবিধা পাবেন। হোয়াটসঅ্যাপ ট্র্যাকার ওয়েবেটাইনফো নতুন এই ফিচারের তথ্য ফাঁস করেছে।

* এতদিন হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ছবি বা ভিডিও আপলোড করার সুযোগ পেতেন ব্যবহারকারীরা। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে আরও কিছু আপডেট। ৩০ সেকেন্ডের ভয়েস রেকর্ড করে স্ট্যাটাস দেওয়ার ফিচারও এবার রোল আউট করা হবে হোয়াটসঅ্যাপে।

* স্ট্যাটাস আপডেটে ইমোজির মাধ্যমে রিপ্লাই দিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। কারো স্ট্যাটাস দেখে ভালো লাগলে সেখানে ইমোজি দিয়ে রিঅ্যাকশন জানানোর ফিচারও চালু হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপে।

* কোনো ব্যবহারকারী স্ট্যাটাস আপডেট করলে তার প্রোফাইল পিকচারের চারপাশে একটি গোল রিং তৈরি হবে। চ্যাটের মধ্যে এরকম কোনো কনট্যাক্ট থাকলে সেখানে ক্লিক করলে সরাসরি স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন আপনি।

03-Vicky-and-David-signing-the-agreement-for-Huaweis-joining-in-GAL

বিশ্বব্যাপী মেধাবীদের গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করবে হুয়াওয়ে ও ইউনেস্কো

[ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩] মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০২৩ -এর অংশ হিসেবে, বিশ্বব্যাপী তরুণ মেধাবীদের গড়ে  তোলার জন্য ভূমিকা রাখতে ইউনেস্কো গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর লিটারেসির (জিএএল) সাথে  কাজ করবে হুয়াওয়ে। হুয়াওয়ে ও ইনস্টিটিউট ফর লাইফলং লার্নিং (ইউআইএল) সেক্রেটারিয়েট অব জিএএল এর সহ-আয়োজনে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ট্যালেন্ট সামিটে এই ঘোষণা দেয়া হয়। 

সামিটে হুয়াওয়ে ও ইউআইএল স্বাক্ষরতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ব্যবহারের ব্যবহারের সম্মত হয়। এ নিয়ে তারা একটি কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করে। যার অধীনে, উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষকদের প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধিতে ইউআইএলর বর্তমান উদ্যোগের সম্প্রসারণে আর্থিক সহায়তা দিবে হুয়াওয়ে। বর্তমানে, বাংলাদেশ, আইভরি কোস্ট, মিশর ও পাকিস্তানে ইউআইএল এর কার্যক্রম রয়েছে।     

একইসাথে, এমডব্লিউসি ডে জিরো ফোরামে বক্তব্য প্রদান করেন হুয়াওয়ের ক্যারিয়ার বিআইজির প্রেসিডেন্ট লি পেং। বক্তব্যে তিনি, ফাইভজি কীভাবে ইন্টেলিজেন্ট বিশ্বের সম্ভাবনা উন্মোচন করছে এবং ৫.৫জির দিকে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এ যাত্রায় কীভাবে নতুন সব মাইলফলক অর্জন করা যাবে, এ বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।       

এই ফোরামে খাতসংশ্লিষ্ট সবাই একসাথে কাজ করার মাধ্যমে কীভাবে সবুজ ও ইন্টেলিজেন্ট বিশ্ব তৈরির দিকে এগিয়ে যাওয়া যাবে বক্তব্যে এ নিয়ে আলোচনা করেন লি পেং। তিনি উল্লেখ করেন, এ লক্ষ্য অর্জনে ভিত্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে হুয়াওয়ের গাইড (জিইউআইডিই) বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট। বক্তব্যে তিনি ফাইভজির ক্ষেত্রে বিশ্বের নানা উদ্ভাবন ও সাম্প্রতিক অবস্থা নিয়েও আলোচনা করেন। 

হুয়াওয়ে:

হুয়াওয়ে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিতকরণ ও উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি উন্নত ও সংযুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য। নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে হুয়াওয়ে একটি পরিপূর্ণ আইসিটি সল্যুশন পোর্টফোলিও প্রতিষ্ঠা করেছে, যা গ্রাহকদের টেলিকম ও এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক, ডিভাইস এবং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবিধাসমূহ প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ১৭০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে সেবা দিচ্ছে, যা বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার সমান। এক লাখ ৯৭ হাজারের বেশি কর্মী নিয়ে বিশ্বব্যাপী টেলিকম অপারেটর, উদ্যোক্তা ও গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করে ভবিষ্যতের তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক সমাজ তৈরির লক্ষ্যে হুয়াওয়ে এগিয়ে চলেছে। 

শীর্ষস্থানীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে, গত ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি শিল্প, টেলিকম অপারেটর এবং স্থানীয় অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য-প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে অসামান্য ভূমিকা রেখে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া বিভিন্ন সিএসআর কর্মসূচী পরিচালনার মাধ্যমে সামাজিক ক্ষেত্রেও নানান অবদান রাখছে হুয়াওয়ে। অগ্রযাত্রার পথে, বাংলাদেশের সাথে এই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে হুয়াওয়ে।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন হুয়াওয়ের ওয়েবসাইট www.huawei.com এবং যুক্ত থাকুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে https://www.facebook.com/HuaweiTechBD/